ফরিদপুরের ভাংগায় সংখ্যালঘু (প্রতিবন্ধী) মহিলার উপরে হামলা ও বসত বাড়ি দখল!!


বিগত ১০ বছর ধরে ০৭ শতাংশ সম্পত্তি জবরদখল করার উদ্দেশ্যে হিন্দু পরিবারটিকে নির্যাতন ও খুনের হুমকি দিয়ে আসছে প্রতিবেশী সাহেব শিকদার গং। ১৬ মে রবিবার ভুক্তভোগী সাবিত্রী মন্ডল (৪৫) স্বামী: মৃত- ননী গোপাল মন্ডল (প্রতিবন্ধী) ঐ মহিলাকে সাহেব ও তার স্ত্রী মিলে মারধর করেন ও গায়ে গরম পানি ঢেলে দেয় বলে আভিযোগ পাওয়া গেছে। 

ফরিদপুরে ভাংগা উপজেলার পূর্ব আড়ুয়াকান্দি গ্রামে এমনি মর্মান্তিক ঘটনার শিকার হন ঐ  সংখ্যালঘু পরিবার। স্থানীয় লোকজন সাংবাদিদের বলেন জমি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত দুই পক্ষের মধ্য বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে দফায় দফায় দরবার-সালিশ হলেও সাহেব সিকদারের স্ত্রী আসমা বেগমের দাপটে গ্রামের গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ এর কোন সুরাহা দিতে পারে নাই। 

সাবিত্রী মন্ডল সাংবাদিকদের বলেন, আমার স্বামী বিগত ১০/১২ বছর আগে সাহেব সিকদারের নিকট ২ (দুই) শতাংশ জমি বিক্রি করে দখলবুঝ করিয়ে দেয়। ২০১৩ সালে সড়ক দূর্ঘটনায় আমার স্বামী নিহত হওয়ার পর থেকেই আমার একমাত্র সম্বল টুকু কেরে নেয়ার জন্য নানাভাবে অত্যাচার করে আসছে। গত বুধবার গ্রামের মাতুব্বরেরা স্থানীয় আমিন (সার্ভেয়ার) এনে জমি মেপে সীমানা নির্ধারণ করে দিয়ে যায়। রবিবার সকালে ওরা সিমানা পিলার ভেঙ্গে দেয়। আমি নিষেধ করায় ওরা আমাকে মারধর করে ও আমার উপরে গরম পানি ঢেলে দেয়। 

ভুক্তভোগী সাবিত্রী মন্ডল ভাংগা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অভিযোগ পেয়ে ঐ দিন দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পুলিশ এবং এ ঘঠনায় একটি মামলা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ভাংগা থানা পুলিশ। 

এ বিষয়ে সাহেব সিকদারের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে সাংবাদিকদের বসতে বলে আর দেখা করে নাই। পরবর্তীতে একাধিকবার কল করলে তার মুঠোফোন বন্ধ পেয়ে সাংবাদিকদের একটি দল তার বাড়িতে গেলে সাহেব ও আসমাকে বাড়িতে না পেয়ে তার মেয়েদের কাছে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তারা সাংবাদিকদের সাথে অশোভনীয় আচরন করেন। 


أحدث أقدم